মধু সংরক্ষণের নিয়ম

honey

মধু সংরক্ষণ করা সহজ। মধুর একটি চমৎকার ব্যাপার হলো এতে সহজে ব্যাকটেরিয়া জন্মাতে পারে না এবং তাই এটি দ্রুত নষ্টও হয় না। তবে এরপরেও কিছু ব্যাপারে নজর দেয়া দরকারঃ

১/ পাত্রের মুখ ভালো ভাবে বন্ধ করা। পাত্র সঠিকভাবে বন্ধ না করা হলে পোকা পড়তে পারে অথবা ফাঙ্গাস জন্মাতে পারে। মধু যদি বাতাসে খোলা রাখা হয় তাহলে তা দুর্গন্ধ ও আর্দ্রতা শোষণ করে। এতে মধু নষ্ট হতে পারে অথবা এর গুণ, গন্ধ বা স্বাদের মান কমে যেতে পারে।

২/ ঠাণ্ডা কক্ষ তাপমাত্রায় মধু সংরক্ষণ করা। রেফ্রিজারেটরে মধু তাড়াতাড়ি জমে যায়। শূন্যের কাছাকাছি তাপমাত্রায় মধুর অনেক এমাইনো এসিড ও ভিটামিন নষ্ট হয়ে যায়। ৪৫ ডিগ্রি সেলসিয়াসের বেশি তাপমাত্রায় স্বাদ আরো খারাপ হয়, গন্ধ হারিয়ে যায়, মধুর রঙ পালটে যায় এবং উপকারী গুণাগুণ কমে যায়।

৩/ মধু সংরক্ষণের জন্য শুকনো বায়ুরোধী পাত্র ব্যবহার করা। নন-ফুড গ্রেড প্লাস্টিক কিংবা ধাতব পাত্র পরিহার্য। কাচের পাত্র সবচেয়ে ভালো।

৪/ এমন জায়গা ঠিক করা যা একইসাথে শুকনো ও ঠাণ্ডা। আর্দ্রতা হলো মধুর সবচেয়ে বড় শত্রুগুলোর একটি। মধুতে থাকা এসেনশিয়াল ওয়েলগুলো সহজেই বাষ্পীভূত হয়। এতে মধুর স্বাদ এবং গন্ধ হারিয়ে যায়। সাধারণত, কোনো আবদ্ধ অন্ধকার জায়গা মধু সংরক্ষণের জন্য যথেষ্ট। খেয়াল রাখবেন সেটি যেন কালো হয় এবং সরাসরি আলোর সংস্পর্শে না আসে। চুলা বা ওভেনের কাছে পাত্র রাখবেন না।

৫/ মধু পুরাতন হয়ে গেলে অনেক সময় তা শক্ত হয়ে স্ফটিকায়িত হয়। পাত্র খোলার তিন থেকে ছয় মাসের মধ্যে যে কোনো জায়গায়ই এই প্রাকৃতিক পরিবর্তনটি ঘটতে পারে। পুরনো হওয়ার সাথে সাথে মধু কালচেও হয়ে যেতে পারে, যার ফলে গন্ধে পরিবর্তন আসতে পারে। এক বছরের কম সময়ের মাঝে পরিবর্তন দৃশ্যমান হয়।

Total number of views: 3

Facebooktwittergoogle_plusredditpinterestlinkedintumblrmailFacebooktwittergoogle_plusredditpinterestlinkedintumblrmail

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *