বিরিয়ানী মশলা

biriyani

বিরিয়ানি ছাড়া একটা ইদ কেটে যাবে, এটা ভাবতে গেলেই অনেক বাঙ্গালীর হয়তো ইদের আনন্দটা মাটি হয়ে যাবে। তাই যারা এখনও রাঁধতে জানেন না তাদের জন্য আমাদের গরুর বিরিয়ানীর রেসিপি:   প্রথমেই আসি গরুর তেহারীর সাথে গরুর বিরিয়ানীর পার্থক্য কী?  উ: গরুর মাংসের তেহারীর সাথে গরুর বিরিয়ানির মূল পার্থক্যটাই হলো মাংসে। বিরিয়ানীর মাংসের টুকরোগুলো বেশ বড় করে কাটা হয়, আর তেহারীতে ছোট ছোট টুকরা। এবং বিরিয়ানীতে আলুর ব্যবহার করা হয় যা তেহারীতে নাও থাকতে পারে। এবারে আসি মূল রেসিপিতে–   উপকরণ: পোলাওর চাল: ২ কেজি (৯ পট)  গরু/খাসীর মাংস: ৩ কেজি  আদা বাটা: ৭ টেবল চামচ রসুন: ৬ টেবল চামচ পেঁয়াজ কাটা: ৩ কাপ  বিরিয়ানি মশলা: ৯ টেবল চামচ তেল/ঘি: (দেড় কাপ) টক দই: ১৫ টেবল চামচ আলু বোখারা: ১৪-১৫ টি আলু- ১৪-১৫টা, (ঐচ্ছিক)  কিশমিশ: ৩০-৩২ টি (ঐচ্ছিক) কেওড়া জল (ঐচ্ছিক)  প্রস্তুত প্রণালী: চুলায় তেল/ঘি গরম করে ১ কাপ পেঁয়াজ সোনালী হয়ে যাওয়া পর্যন্ত ভেজে উঠিয়ে রাখতে হবে। বাকি অর্ধেক বেরেস্তা পানি ঝরানো মাংসের সাথে আদা, রসুন, বিরিয়ানী মশলা ও পরিমাণ মতো লবণ যোগ করে ১৫ মিনিট এর মতো ভালোভাবে কষিয়ে টক দই যোগ করতে হবে। আলু লাল করে ভেজে সাথে দিয়ে দিতে হবে। সিদ্ধ করতে যতটূকু পানি লাগে সে পরিমাণ পানি দিয়ে ঝোল একেবারে শুকিয়ে ফেলতে হবে। বিরিয়ানীর মাংসে ঝোল থাকবে না, মাখা মাখা হয়ে তেল উপরে ভেসে থাকবে।   এরপর পাতিলে তেল/ঘি দিয়ে ৩ টেবল চামচ পেঁয়াজ সোনালী হওয়া পর্যন্ত ভেজে আগে থেকে পানি ঝরানো চালসহ ভালোমতো ভাজতে হবে। পরিমাণ মতো লবণ যোগ করতে হবে। চাল ভাজা হয়ে গন্ধ ছড়ালে ফুটন্ত গরম পানি দিয়ে দিতে হবে। এরপর মাংস ঢেলে দিয়ে নাড়তে হবে ভালো করে। ফলে চাল ও মাংস মিলে যাবে। আঁচ থাকবে মাঝারি। পানি শুকিয়ে আধা সিদ্ধ চাল ভেসে উঠলে জাফরান গোলানো দুধ ছিটিয়ে হাঁড়ির মুখ ঢেকে দিতে হবে। হাঁড়ির নিচে একটি তাওয়া বসিয়ে চুলার আঁচ একদম কম করে বিরিয়ানি দমে দিতে হবে। ১৫/২০ মিনিট পর ঢাকনা সরিয়ে উলটে পালটে দিতে হবে বিরিয়ানি। কেওড়া পানি ও কাঁচা মরিচ ছিটিয়ে আরও ১০ মিনিট দম দিয়ে পরিবেশন করতে হবে গরম গরম। অপরে ছিটিয়ে দিতে পারেন বাদাম কুচি ও বেরেস্তা।   সাজাবার জন্য ডিম ব্যবহার করা যেতে পারে। এই বিরিয়ানি ফ্রিজেও ভালো থাকে বেশ কিছুদিন। তাই ঢাকনা দেয়া পাত্রে সংরক্ষণ করতে পারেন। খাবার পূর্বে অল্প আঁচে দম দিয়ে দিয়ে হাঁড়ির মুখের ঢাকনা দিয়ে রাখলেই বেশ সুন্দর গরম হয়ে যায়। মনেই হবে না যে ফ্রিজে রাখা বিরিয়ানি!  বিরিয়ানীর মসলা ছাড়াও আলাদা আলাদা করে মশলাগুলো যোগ করে রাঁধা যায়, তবে সেক্ষেত্রে– শুকনো মরিচ, জিরা, শাহী এলাচ, সবুজ বড় এলাচ, ছোট এলাচ, জয়ফল, জয়ত্রী, স্টার এনাস, শাহী জিরা, সাদা গোলমরিচ, কালো গোলমরিচ, দারুচিনি, শুকনো আদা, আমচূড়,তেজপাতা, লবঙ্গ, কাবাব চিনি, একাংকি এরকম প্রায় ১৮টি মশলা যোগ করতে হবে। এই বিস্তর ঝামেলা থেকে বাঁচার জন্যই সরোবর তৈরি করেছে বিরিয়ানী মশলা। যাতের এই ১৮টি উপাদানই রয়েছে আলহামদুলিল্লাহ।   অর্ডার করতে পারেন ঘরে বসেই:  https://goo.gl/y1esxV

Total number of views: 56

Facebooktwittergoogle_plusredditpinterestlinkedintumblrmailFacebooktwittergoogle_plusredditpinterestlinkedintumblrmail

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *