ফিতরা প্রজেক্ট

ফিতরা প্রজেক্ট

প্রতি বছর ইদ-উল-ফিতরে সদকাতুল ফিতর দেয়া নিয়ে মানুষ পেরেশানিতে থাকে। বিশেষ করে ঢাকা এবং দেশের বাইরে থাকা মানুষেরা। কাকে দিবো? কিভাবে দিবো? লোকজন পাওয়া যাবে তো?

এ সমস্যাটুকুর সমাধান করতে সরোবর থেকে আমরা অফিসিয়ালি ফিতরা প্রজেক্ট করেছি। আমরা এই ইদে ২১০০ মানুষের কাছে ফিতরা প্যাকেজ বিক্রি করেছি। বেছে নেয়া হয়েছে এমন কিছু এলাকা যেখানে ফিতরা পাওয়ার যোগ্য লোক ভালোভাবে বাছাই করা যাবে।

আমরা লালমনিরহাটে ১০০ পরিবার, বগুড়ায় ৩০ পরিবার, চাপাইনবাবগঞ্জে ১৪০ পরিবার, দিনাজপুরের ২০০ এবং খাগড়াছড়িতে ৬০ টি পরিবারকে ফিতরা প্যাকেজ পৌঁছিয়ে দিয়েছি।

প্রতিটি পরিবারকে ১২ কেজি চাল, আধ কেজি লাচ্ছা সেমাই, আধ কেজি চিনি, ১০০ গ্রাম করে দুটো অর্থাৎ ২০০ গ্রামের গুঁড়ো দুধ, ১ কেজি ৫০০/৬০০ গ্রামের একটি মুরগি দেয়া হয়েছে।

কিছু স্থানে ইদের আগের দিন, আবার কোথাও ইদের দুই দিন আগেই পৌঁছানো হয়েছে দেশের বাইরের ক্রেতাদের কথা চিন্তা করে। কারণ বিশ্বের বেশির ভাগ স্থানে আমাদের এক দিন আগেই চাঁদ দেখা গিয়েছিলো বলে।

এ সময়টুকু আমাদের ইনবক্সে-মেইলে অনেক উত্তর দেয়া যৌক্তিক কারণে সম্ভবপর হয়নি। তবে, যারা রেজিস্ট্রেশন করেছেন সবার ফিতরাই আদায় হয়েছে আলহামদুলিল্লাহ। কারণ, আমরা যথাসময়ে ফিতরের প্যাকেজ পৌঁছিয়ে দিয়েছি।

এ ছাড়া আমরা ছোট্ট করে একটা সার্ভে করেছিলাম ফিতরের সুবিধাভোগিদের উপরে। তাদের জন্য খাবার কিনে দেয়াটা ভালো হয়েছে নাকি নগদ টাকা দিলে তাদের ভালো হতো। বেশিরভাগ মানুষই জানিয়েছেন তাদের খাবার দেয়াটাই ভালো ছিলো। অল্প কয়েকজন জানিয়েছেন টাকা দিলে তারা অন্য কিছু কিনতে পারতেন। তবে, আমাদের স্থানীয় প্রতিনিধির মতে, নগদ টাকা তারা খরচ করে ফেলবে অন্য কাজে। সেক্ষেত্রে, মানুষ যে কারণে সদকাতুল ফিতর আদায় করে যাতে অন্তঃত ইদের দিনটা যেনো তাদের খাবারের ব্যবস্থা হয়ে যায়, এ উদ্দেশ্য বিফলে যেতো।