তামারিন্ড- তেঁতুলের সস

তামারিন্ড - তেতুলের সস

তেঁতুল – নাম শুনলেই জিভে পানি চলে আসে। এই পানি আসাটা (activation of salivary glands) তেঁতুলের ঔশুধি গুণের একটি পরিচয়। তেঁতুল যেমন খাওয়ার রুচি বর্ধক, তেমনই হজম শক্তি বাড়াতে সহকারী। তেঁতুলের এই গুণাবলীকে আরও বৃদ্ধি করতে আমাদের তেঁতুলের সসে আরও আছে চাট মশলা ও সিরকা।
তেঁতুলের এন্টিমাইক্রোব গুণাবলিও আছে। সব মিলিয়ে এটি পেটের নানান রোগ যেমন কন্সটিপেসন, ডায়রিয়া, পেপ্টিক আলসার নিরাময়ে সাহায্য করে।

এই গেলো পেটের কথা, এবার আসি হৃদয়ে। রিসার্চে দেখা গেছে যে তেঁতুল রক্তের LDL বা খারাপ কোলেস্টেরল কমায়, যার ফলে এটা হার্টের জন্য অত্যন্ত উপকারী। তেঁতুলে আরও আছে অনেক বেশী পরিমাণে antioxidants, যা শরীরের অক্সিডেটিভ স্ট্রেস কমিয়ে আনে এবং শরীরকে ডায়বেটিস, হৃদরোগ, ক্যান্সার ও আরথ্রাইটিস জাতীয় দুরারোগ্য ব্যাধি থেকে রক্ষা করে।

কীভাবে খাবেন:
ইফতারে তেঁতুলের সস দিয়ে আলুর চপ বেগুনী খেলে সাবধান, কারণ একবার খাওয়া শুরু করলে থামাটা কঠিন। চটপটির সাথে চাটনি বা টক বানানোর ঝামেলায় না গিয়ে বরং তেঁতুলের সসের সাথে অল্প পরিমাণে পানি ও ধনিয়া পাতা কুঁচি মিশিয়ে নিলেই হবে।
চিকেন ফ্রাই, গ্রিল বা বারবিকিউ করতে যাচ্ছেন? ব্যাটারে দু-চামচ সস মিশিয়ে দেখুন। হাড়গোড়ও খেয়ে ফেলতে ইচ্ছে করবে। গরুর কলিজা ভুনা চুলো থেকে নামানোর পাঁচ মিনিট আগে একটু তেঁতুলের সস ঢেলে নেড়েচেড়ে নিন। যেমন তরকারির স্বাদ বৃদ্ধি পাবে তেমনই পুষ্টিগুণ।

গরমে অতিষ্ঠ শরীর-মনকে ইনস্ট্যান্ট ঠাণ্ডা করবেন কীভাবে? দুই টেবিল চামচ চিনি, এক চিমটি বিট লবণ, এক চিমটি জিরা গুড়ো ও দুই চা-চামচ তেঁতুলের সস এক গ্লাস ঠাণ্ডা পানিতে ভালো করে মিশিয়ে নিন। গরমে নিরুদিত শরীরকে চাঙা করে তুলতে প্রতিদিন পান করতে পারেন এই সুস্বাদু ড্রিঙ্কটি।